ফেসবুক বন্ধুত্বকে আমি ভার্চুয়াল বলে আলাদা করিনা কারন যে মানুষ ক্ষতিকর সে জীবনে যে ভাবেই আসুক ক্ষতি করবে আর যে বন্ধু হবার সে তাই হবে।

তো কিছুদিন আগে এক বন্ধুর সাথে কথায় কথায় জানলাম তার জিবনের কিছু সমস্যার কথা। আমার মাথায় পরোপোকারের পোকার বাসা আছে, একটু ছোঁয়া পেলেই সে কিলবিলিয়ে ওঠে। এই বন্ধুর সমস্যা শুনে সেই পোকারা সোচ্চার হল। এটা করো, ওটা করে দেখতে পারো বলে যাই রাস্তা দেখাই তার পছন্দ হয়না। কিন্তু আমি কি না ঠিকা নিয়েছি, কাউকে অসুখী থাকতে দেবোনা তাই উপায় বাতলানো বজায় থাকলো। সে যে পছন্দ করছেনা আমার মোটা মাথায় কে ঢোকাবে?

এবার আরেক নতুন উপায় তাকে জানাতেই সে দিলও আচ্ছা করে অপমান করে! তখন বুঝলাম আমার উপদেশে তার কোন প্রোয়োজন নেই। উলটে সে আমায় চক্ষে আঙুল দিয়ে শিখিয়ে দিল, আমার মত রুটি রুজীর আশায় দূরে চাকরি নেওয়া মানুষেরা আদ্যন্ত স্বার্থপর। তারা মায়ের চোখের জলের দাম দেয় না, বাবা কেও ভালবাসেনা। আমার মত মানুষেরা কারো সেন্টিমেন্টের দাম দেয় না! তাই হবে! মা বাবা, পরিবার, আত্মীয়-বন্ধু ছেড়ে শুধু পেটের ধান্ধায় ভারত চষে ফেলা স্বার্থ পরতাই বটে! চাকরী না পেলে খালি পেটে মা বাবাকে চারটি মিষ্টি কথা বললেই তাঁদের ক্ষিদে মিটতো, রোগের চিকিৎসা হত।

শিখলাম কত কিছু। তবু জানি আবার কাল কেউ নিজের কষ্টের গল্প বললেই আমি আবার কোমর বেঁধে তার উপকারের চেষ্টা করবো। কথায় আছেনা, ‘স্বভাব যায় না ম’লে!’

Advertisements