ছেলেটা ভূগোলের শিক্ষক ছিল। বন, জঙ্গল ভালবাসতো। কোজাগরীর চাঁদ দেখতে গেছিলো; অযোধ্যা পাহাড়ে।
ওরা জঙ্গলে গা ঢাকা দিয়ে থাকে।ওরা খুনী। তাই কোনদিন জানেইনা কেউ চাঁদ দেখতে যেতে পারে! মেরে ফেললো এক নিস্পাপ মানুষ কে, নাম সৌম্যজিত।
মেয়েটার নাম স্বচ্ছতোয়া। ভালবাসতে জানে, বরের ছেলে মানুষী খেয়ালে ভয় পায় আবার প্রশ্রয় ও দেয়।ডি এন এ টেষ্টে জানলো নিখোঁজ স্বামীকে ওরা মেরে ফেলেছে। মানতে পারেনা! স্বচ্ছতোয়া নদীর নাম হলেও ওর চোখে জল নেই।
একটা পরিবার কে শেষ করে মূল স্রোতে ফিরে এলেন খুনীরা। ঘর হল। অন্যের কবরে নিজের বাসর সাজানো নির্লজ্জ খুনীরা ভাল আছে।

বাড়ির একমাত্র রোজগেরে ছেলে।ছুটিতে আসবে। আটদিন আগেই এলো। অথচ বাড়ির কেউ খুশি হলনা? অনেক রাত জেগে ডিউটি করেছে, অন্যরা যা তে শান্তিতে ঘুমাতে পারে, আর আজকে ওকে খাওয়ার সময় খুনে রা রাষ্ট্রবাদী র প্রতীক হিসেবে ঝাঁঝরা করে ঘুম পারিয়ে দিয়েছে।ওনারা পৃথিবীকে দরিদ্র মুক্ত করবে, এই ছেলেটা কোথাকার জমিদার? সি আর পি এফ এর চাকরী।ছ’মাস আগে বিয়ে করেছে। শেষ করে দিল একটা পরিবার কে।

চীন, মহান চীন মাও যে দং কে অনেক আগেই ইতিহাস করে দিয়েছে।ইনি সেই মাও জিনি রাশিয়া কে বলেছিলেন, ‘আমাদের দেশ থেকে কিছু মেয়েকে নিয়ে যান। ওরা খুব বাচ্চার জন্ম দিতে পারে।’। সেই মাওবাদী দের সরকার এখনো নিকেশ করতে পারেনি। বরঞ্চ কেউ আত্মসমর্পন করলে তাকে পুনর্বাসন দেওয়া হচ্ছে।

আকাশ পথে হামলা করে ওদের শেষ করে দেওয়া হোক।

Advertisements